800 Watt Blender — LM Electronics
LM Electronics Catalogue

Blender Price in Bangladesh

800 Watt Blender Price in Bangladesh — 1 model (mixer grinder, juicer) from Jusal with price, specification and official warranty at LM Electronics.

1product available

800 Watt Blender — Mixer Grinder, Juicer

800 Watt Blender Price in Bangladesh — LM Electronics-এ এখন 1টি 800 Watt Blender পাওয়া যাচ্ছে, দাম ৳ 4,870। ব্র্যান্ড: Jusal। সব কটিই অরিজিনাল পণ্য, দেশজুড়ে ডেলিভারি।

800 Watt মোটরের Blender মাঝারি থেকে ভারী কাজের জন্য উপযুক্ত — মসলা বাটা, শক্ত ডাল বা বরফ ভাঙা সবই সামলাতে পারে। নিচের তালিকা থেকে মডেল, দাম ও স্পেসিফিকেশন মিলিয়ে দেখে নিন।

1 results
ব্লেন্ডার কিনতে গিয়ে বেশিরভাগ মানুষ দুটো জায়গায় আটকান — কোন ধরনেরটা লাগবে, আর কত ওয়াট নিলে কাজ চলবে। দুটোরই উত্তর নির্ভর করে আপনি কী কাজ বেশি করবেন তার উপর। শুধু ডাল-মসলা বাটলে ৭৫০ ওয়াটই যথেষ্ট; শক্ত মসলা, হলুদ-মরিচ গুঁড়ো বা নিয়মিত ভারী কাজে ১০০০–১৫০০ ওয়াট লাগে। এই পেজে 1টি মডেলের দাম, ব্র্যান্ডভিত্তিক তুলনা আর বাস্তব ব্যবহারের সমস্যাগুলোর সমাধান একসাথে দেওয়া আছে।

Blender-এর দাম কত — বাজেটে কোনটা পাবেন

আমাদের ক্যাটালগে এখন 1টি ব্লেন্ডার, দাম ৳4,870। বাজেট অনুযায়ী ভাগ করলে ছবিটা এরকম:

  • ২,০০০ টাকার নিচে — মূলত hand mixer আর ছোট পোর্টেবল চপার। ডিম ফেটানো, ক্রিম বিট করা, অল্প পেঁয়াজ-রসুন কুচি — এই কাজগুলোর জন্য। সবচেয়ে কমে এখন Jusal Royal 800W Mixer Grinder (3 Jar)।
  • ২,০০০–৪,০০০ টাকা — ৩৫০–৭৫০ ওয়াটের একক জারের ব্লেন্ডার আর travel blender। জুস, শেক, বাচ্চার খাবার, হালকা মসলা বাটা।
  • ৪,০০০–৭,০০০ টাকা — এই রেঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মডেল। ৭৫০–১২০০ ওয়াটের mixer grinder, সাধারণত ৩–৪টি জার (ব্লেন্ডিং, গ্রাইন্ডিং, চাটনি), স্টেইনলেস স্টিল ব্লেড ও ওভারলোড প্রোটেকশন। রোজকার রান্নাঘরের জন্য এটাই সবচেয়ে কাজের রেঞ্জ।
  • ৭,০০০ টাকার উপরে — ১২০০–১৫০০ ওয়াট, ভারী ডিউটি মোটর, মোটা স্টিল জার। প্রতিদিন বেশি পরিমাণে মসলা বাটা বা ছোট ব্যবসার কাজে।

দাম ও স্টক প্রতিদিন বদলায় — উপরের টেবিল দুটোতে সবসময় চলতি দামই দেখানো হয়।

কোন ধরনের ব্লেন্ডার আপনার দরকার — Grinder, Hand Mixer না Travel Blender

নাম আলাদা হলেও কাজ আলাদা। ভুল ধরনটা কিনলে যন্ত্রটা ভালো হলেও আপনার কাজে আসবে না।

  • Mixer Grinder — বাংলাদেশের রান্নাঘরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধরন, আমাদের ৩৫টির বেশি মডেল এই ঘরানার। একাধিক জার থাকে: বড় জারে জুস ও শেক, মাঝারি জারে ভেজা মসলা বাটা, ছোট চাটনি জারে শুকনো মসলা গুঁড়ো। একটাই যন্ত্রে হলুদ-মরিচ গুঁড়ো থেকে পেঁয়াজ বাটা — সবই হয়।
  • Hand Mixer — এতে জার নেই, দুটো বিটার থাকে যা আপনি নিজের বাটিতে ধরে চালান। কেকের ব্যাটার, ডিমের সাদা অংশ, ক্রিম হুইপ — এসব কাজে ব্লেন্ডারের চেয়ে অনেক ভালো ফল দেয়, কারণ এটা বাতাস ঢোকায়। মসলা বাটার কাজে এটা চলবে না।
  • Hand Blender (ইমারশন) — লম্বা দণ্ডের মাথায় ব্লেড; সরাসরি হাঁড়ি বা বাটিতে ডুবিয়ে চালানো যায়। গরম স্যুপ, ডাল ঘুঁটা, বাচ্চার খাবার — যেখানে গরম জিনিস অন্য পাত্রে ঢালার ঝামেলা এড়াতে চান।
  • Travel Blender — রিচার্জেবল ব্যাটারিতে চলে, বোতলটাই জার। অফিস বা ভ্রমণে একজনের জুস বা প্রোটিন শেক বানানোর জন্য। এটি মসলা বাটার যন্ত্র নয়।

একটাই কিনলে বেশিরভাগ পরিবারের জন্য mixer grinder-ই সঠিক পছন্দ; বেকিং করলে তার সাথে একটা hand mixer আলাদা লাগবে।

কত ওয়াটের ব্লেন্ডার নেবেন

ওয়াট মানে মোটরের শক্তি — বেশি ওয়াট মানে শক্ত জিনিস ভাঙার ক্ষমতা বেশি, কিন্তু সবার বেশি ওয়াট লাগে না।

  • ৩০০–৪০০ ওয়াট — hand mixer, ছোট চপার, travel blender। নরম জিনিস, তরল, ডিম।
  • ৫৫০–৭৫০ ওয়াট — জুস, শেক, ভেজা মসলা, ডাল বাটা। ছোট পরিবারের রোজকার কাজে যথেষ্ট।
  • ৮৫০–১২০০ ওয়াট — শুকনো মসলা গুঁড়ো (হলুদ, মরিচ, ধনে), শক্ত ডাল, বেশি পরিমাণে একবারে। বেশিরভাগ পরিবারের জন্য এটাই ভারসাম্যপূর্ণ পছন্দ — ১২০০ ওয়াটের মডেলগুলো এখানে দেখুন
  • ১৫০০ ওয়াট — প্রতিদিন ভারী কাজ, বড় পরিবার বা ছোট দোকান।

একটা কথা মনে রাখবেন: অনেক ব্র্যান্ড Peak ওয়াট লেখে, যা মোটরের সর্বোচ্চ মুহূর্তের শক্তি — টানা চলার শক্তি নয়। তাই ওয়াটের পাশাপাশি মোটরের কয়েল তামার কিনা, আর ওভারলোড প্রোটেকশন আছে কিনা সেটাও দেখুন।

কেনার আগে যে ৬টা জিনিস দেখে নেবেন

  • মোটরের কয়েল তামা কিনা — তামার কয়েল বেশি গরম সহ্য করে আর দীর্ঘদিন টেকে। আমাদের স্পেসিফিকেশনে এটি Motor Winding Wire: Copper হিসেবে লেখা থাকে।
  • ওভারলোড প্রোটেকশন — মোটর বেশি গরম হলে নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যায়। এটাই মোটর পুড়ে যাওয়া ঠেকানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা।
  • জারের উপকরণ — স্টেইনলেস স্টিল টেকসই কিন্তু ভেতরটা দেখা যায় না; আনব্রেকেবল পলিকার্বোনেট হালকা ও স্বচ্ছ। BPA-free লেখা থাকলে খাবারের জন্য নিরাপদ।
  • জারের সংখ্যা — শুকনো ও ভেজা মসলার জন্য আলাদা জার থাকলে ব্লেড দ্রুত ভোঁতা হয় না, গন্ধও মিশে যায় না।
  • স্পিড সেটিং ও পালস — ৩ থেকে ৫টি স্পিড থাকলে নরম-শক্ত দুই ধরনের কাজই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
  • ঢাকনার লক ও নন-স্লিপ ফিট — লক ছাড়া ঢাকনা খুলে যেতে পারে, আর রাবারের পা না থাকলে চালানোর সময় যন্ত্র হাঁটে।

ব্র্যান্ড কীভাবে বাছবেন

উপরের ব্র্যান্ড তুলনার টেবিলে স্টকে থাকা প্রতিটি ব্র্যান্ডের মডেল সংখ্যা, দামের রেঞ্জ ও ঘোষিত ওয়ারেন্টি চলতি ক্যাটালগ থেকেই দেখানো হয়েছে — কে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে সেটা ওখান থেকেই মিলিয়ে নিতে পারবেন।

ব্র্যান্ড বাছাইয়ের সময় নামের চেয়ে এই তিনটি প্রশ্ন বেশি কাজে দেয়:

  • আপনার এলাকায় সার্ভিস সেন্টার আছে কি? — বাংলাদেশে ব্লেন্ডার নষ্ট হলে সবচেয়ে বড় ভোগান্তি হয় সার্ভিস পয়েন্ট খুঁজতে গিয়ে। যে ব্র্যান্ডের নেটওয়ার্ক যত বিস্তৃত, মেরামত তত কম ঝামেলার।
  • যন্ত্রাংশ আলাদা করে কিনতে পাওয়া যায় কি? — জার, ব্লেড, রাবার গ্যাসকেট আর কাপলার ভোগ্য যন্ত্রাংশ; কয়েক বছরে একবার লাগবেই। আলাদা না পেলে সামান্য সমস্যাতেও গোটা যন্ত্র বদলাতে হয়।
  • ওয়ারেন্টির শর্তে ঠিক কী লেখা আছে? — “১ বছরের ওয়ারেন্টি” লেখা থাকলেও মোটর, মূল যন্ত্রাংশ আর খুচরা যন্ত্রাংশের মেয়াদ আলাদা হতে পারে। টেবিলে ঘোষিত মেয়াদ দেওয়া আছে, আর প্রতিটি পণ্যের পেজে ঐ মডেলের নির্দিষ্ট শর্ত লেখা থাকে।

দাম আর ফিচার কাছাকাছি হলে এই তিনটিই আসল পার্থক্য গড়ে দেয়। আমাদের সব ব্লেন্ডারই অফিসিয়াল পণ্য এবং ওয়ারেন্টি কার্ডসহ যায়, তাই যেকোনো ব্র্যান্ডের সার্ভিস সেন্টারে সরাসরি সার্ভিস নিতে পারবেন।

ব্লেন্ডার ব্যবহারে সাধারণ সমস্যা ও সমাধান

বেশিরভাগ ব্লেন্ডার আসলে নষ্ট হয় না — ব্যবহারের ভুলে বন্ধ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি যেগুলো ঘটে:

  • চালু হচ্ছেই না — প্রায় সব মডেলে সেফটি সুইচ থাকে; জার ঠিকমতো বসে লক না হলে মোটর চলবেই না। জারটা খুলে আবার ঘুরিয়ে লক করুন।
  • চলতে চলতে হঠাৎ বন্ধ — ওভারলোড প্রোটেকশন কাজ করেছে। প্লাগ খুলে ১৫–২০ মিনিট ঠান্ডা হতে দিন, তারপর কম পরিমাণে চালান।
  • পোড়া গন্ধ — সাধারণত একবারে বেশি পরিমাণ দেওয়া বা টানা অনেকক্ষণ চালানোর ফল। এক মিনিট চালিয়ে আধ মিনিট বিরতি দিন। গন্ধ না গেলে চালানো বন্ধ করে সার্ভিসে দিন।
  • জারের নিচ দিয়ে পানি পড়ছে — ব্লেড আর জারের মাঝের রাবার গ্যাসকেট সরে গেছে বা ক্ষয়ে গেছে। এটি সস্তা যন্ত্রাংশ, বদলালেই ঠিক হয়ে যায়।
  • মসলা গুঁড়ো হচ্ছে না — শুকনো মসলার জন্য ছোট চাটনি বা গ্রাইন্ডার জার ব্যবহার করুন, বড় ব্লেন্ডিং জার নয়। জারের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ভরবেন না।
  • খুব কাঁপে বা শব্দ করে — সমতল জায়গায় বসান, জার বেশি ভরবেন না, আর ব্লেড ঢিলা কিনা দেখুন।

Blender Price in Bangladesh: A Quick Buying Guide

Blender price in Bangladesh starts at ৳4,870 and goes up to ৳4,870, with 1 models available right now at LM Electronics. What you should spend depends far more on the type you need than on the brand.

  • A mixer grinder is the right choice for most households here — it handles wet masala, dry spice grinding and juice in one machine, and 750W to 1200W covers almost every daily task.
  • A hand mixer is for baking: whipping cream, beating eggs and making cake batter. It cannot grind spices, so it is an addition to a blender rather than a replacement.
  • A hand blender works directly inside your pot, which makes it the easiest option for hot soup, daal and baby food.
  • A travel blender is rechargeable and single-serve — useful for juice and protein shakes on the move, not for kitchen work.

Whatever you pick, check three things before paying: copper motor winding, overload protection, and whether spare jars and blades are available locally. Every model listed here is an official product with manufacturer warranty and is delivered nationwide.

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন — 800 Watt Blender

বাংলাদেশে ভালো ব্লেন্ডারের দাম কত?
আমাদের ক্যাটালগে এখন 1টি মডেল আছে, দাম ৳4,870। রোজকার রান্নাঘরের কাজের জন্য ৭৫০–১২০০ ওয়াটের একটা ভালো mixer grinder সাধারণত ৪,০০০–৭,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় — এই রেঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মডেল আর সবচেয়ে ভালো ভারসাম্য।
ব্লেন্ডার চালু হচ্ছে না, বিদ্যুৎ আছে — সমস্যা কী?
প্রথমে জারটা দেখুন। প্রায় সব মডেলেই সেফটি সুইচ থাকে — জার ঠিক জায়গায় বসে লক না হলে সুইচ অন করলেও মোটর চলবে না। জারটা তুলে আবার বসিয়ে ঘুরিয়ে লক করুন, ঢাকনাও লক করুন। এতে না হলে দেখুন ওভারলোড প্রোটেকশন কাজ করে বন্ধ হয়ে আছে কিনা — সেক্ষেত্রে ২০ মিনিট ঠান্ডা হলে আবার চলবে। দুটোতেই না হলে সুইচ বা কর্ডের সমস্যা, সার্ভিস সেন্টারে দেখানো দরকার।
চলতে চলতে ব্লেন্ডার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় কেন?
এটা প্রায় সবসময়ই ওভারলোড প্রোটেকশন — মোটর বেশি গরম হলে নিজেকে বাঁচাতে বন্ধ হয়ে যায়, আর এটা আসলে ভালো লক্ষণ। প্লাগ খুলে ১৫–২০ মিনিট রাখুন। এরপর একবারে কম পরিমাণ দিন এবং টানা এক মিনিটের বেশি না চালিয়ে মাঝে বিরতি দিন। একই কাজে বারবার হলে বুঝবেন ঐ কাজের জন্য আপনার মডেলের ওয়াট কম পড়ছে।
ব্লেন্ডার থেকে পোড়া গন্ধ আসছে, কী করব?
সাথে সাথে বন্ধ করুন। সাধারণ কারণ তিনটি — জারে একবারে অতিরিক্ত পরিমাণ, শুকনো শক্ত জিনিস ভুল জারে গুঁড়ো করা, অথবা টানা অনেকক্ষণ চালানো। ঠান্ডা হওয়ার পর কম পরিমাণে চালিয়ে দেখুন। গন্ধ থেকে গেলে বা ধোঁয়া দেখলে আর চালাবেন না — মোটরের কয়েল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে, ওয়ারেন্টি থাকলে সার্ভিস সেন্টারে নিন।
জারের নিচ দিয়ে পানি/তরল চুইয়ে পড়ছে কেন?
ব্লেড আর জারের সংযোগে একটা রাবারের গ্যাসকেট থাকে। সেটা সরে গেলে, উল্টো বসলে বা ক্ষয়ে গেলে লিক করে। ব্লেড অ্যাসেম্বলি খুলে গ্যাসকেটটা ঠিকভাবে বসান; ফেটে গেলে নতুন একটা লাগান — এটি খুব সস্তা যন্ত্রাংশ এবং সব ব্র্যান্ডের সার্ভিস পয়েন্টে পাওয়া যায়। গরম তরল বারবার ব্লেন্ড করলে গ্যাসকেট দ্রুত নষ্ট হয়।
হলুদ-মরিচের গুঁড়ো ঠিকমতো হচ্ছে না, দানা থেকে যাচ্ছে
শুকনো মসলা বড় ব্লেন্ডিং জারে হয় না — ঐ জারের ব্লেড ও আকৃতি তরলের জন্য বানানো। ছোট গ্রাইন্ডার বা চাটনি জার ব্যবহার করুন, জারের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ভরবেন না, আর মসলা পুরোপুরি শুকনো কিনা দেখুন — সামান্য আর্দ্রতা থাকলেও দলা বেঁধে যায়। ১০ সেকেন্ড চালিয়ে ঝাঁকিয়ে আবার চালালে ফল ভালো হয়।
ব্লেন্ডারে কি বরফ ভাঙা যায়?
সব মডেলে নয়। শুধু স্টেইনলেস স্টিল জার আর ৭৫০ ওয়াটের বেশি মোটরের মডেলে অল্প পরিমাণ বরফ ভাঙা যায়, তাও পালস মোডে অল্প অল্প করে। পাতলা পলিকার্বোনেট জারে বরফ দিলে জার ফেটে যেতে পারে এবং সেটা ওয়ারেন্টিতে পড়ে না। পণ্যের পেজে জারের উপকরণ দেখে নিন।
গরম স্যুপ বা ডাল সরাসরি ব্লেন্ড করা যাবে?
সাধারণ ব্লেন্ডারের জারে ফুটন্ত গরম কিছু দেবেন না — বাষ্পের চাপে ঢাকনা ছিটকে যেতে পারে। কিছুটা ঠান্ডা করে, জার অর্ধেকের বেশি না ভরে, ঢাকনা সামান্য ফাঁক রেখে চালান। গরম জিনিস নিয়মিত ব্লেন্ড করতে হলে hand blender সবচেয়ে নিরাপদ — সেটা সরাসরি হাঁড়িতেই ব্যবহার করা যায়।
ব্লেড ভোঁতা হয়ে গেছে — বদলানো যায়?
যায়। ব্লেড একটি সাধারণ যন্ত্রাংশ এবং Walton, Vision ও Singer-এর সার্ভিস পয়েন্টে আলাদাভাবে পাওয়া যায়। ব্লেড দ্রুত ভোঁতা হয় মূলত শুকনো শক্ত জিনিস ভুল জারে গুঁড়ো করলে। ভেজা ও শুকনো কাজের জন্য আলাদা জার ব্যবহার করলে ব্লেড অনেক বেশি দিন টেকে।
ব্লেন্ডারের ওয়ারেন্টিতে আসলে কী কী থাকে?
সাধারণত মোটর ও মূল যন্ত্রাংশে ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি থাকে, আর কিছু ব্র্যান্ডে যন্ত্রাংশে ৬–১২ মাস। জার ভাঙা, ব্লেড ক্ষয়ে যাওয়া, রাবার গ্যাসকেট বা ব্যবহারের ভুলে হওয়া ক্ষতি সাধারণত ওয়ারেন্টিতে পড়ে না। উপরের তুলনার টেবিলে প্রতিটি ব্র্যান্ডের ঘোষিত ওয়ারেন্টি দেখানো আছে, আর প্রতিটি পণ্যের পেজে সেই মডেলের নির্দিষ্ট শর্ত লেখা থাকে।
ব্লেন্ডার চালালে বিদ্যুৎ বিল কেমন বাড়ে?
খুব সামান্য, কারণ ব্লেন্ডার দিনে কয়েক মিনিটই চলে। ১০০০ ওয়াটের একটি ব্লেন্ডার টানা এক ঘণ্টা চললে ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে। বাস্তবে দিনে ৫ মিনিট চালালে মাসে প্রায় আড়াই ইউনিটের মতো — অর্থাৎ বিলের হিসাবে এটি নগণ্য।
অনলাইনে অর্ডার করলে ওয়ারেন্টি ও ডেলিভারি কেমন?
LM Electronics-এ সব ব্লেন্ডার অফিসিয়াল পণ্য, প্রস্তুতকারকের ওয়ারেন্টিসহ — ওয়ারেন্টি কার্ড ও ইনভয়েস পণ্যের সাথেই যায়, তাই যেকোনো ব্র্যান্ড সার্ভিস সেন্টারে সরাসরি সার্ভিস নিতে পারবেন। সারা দেশে ডেলিভারি হয় এবং ঢাকার বাইরেও কুরিয়ারে পৌঁছে যায়।