Walton Washing Machine — LM Electronics
Brand & Category Collection

Walton Washing Machine — দাম ও মডেল

Walton Washing Machine price in Bangladesh — 4 models from ৳25,350, fully automatic top load ও front load inverter. অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি, দেশজুড়ে ডেলিভারি।

4products available
4 results

Walton ওয়াশিং মেশিন — মডেল তুলনা

কম দাম থেকে সাজানো। একই ধারণক্ষমতার দুটি মডেলের দামের পার্থক্য সাধারণত লোডিং ধরন, মোটর ও স্পিন স্পিডে।

মডেল ধরনধারণক্ষমতাস্পিনমোটরসার্ভিস দাম
Walton Top Loading Washing Machine 7 KG Top Load7.0 Kg740 RPM2 Years ৳ 25,350
Walton 8Kg Top Loading Washing Machine Top Load8.0 Kg740 RPM2 Years ৳ 28,470
Walton 8Kg Front Loading Washing Machine Front Load8.0 kg1400 RPMUniversal Motor2 Years (1 Year Free Home Service) ৳ 37,167
Walton 9Kg Front Loading Inverter Washing Machine Front Load9.0 kgCIM Inverter Motor2 Years (1 Year Free Home Service) ৳ 62,322

স্পেসিফিকেশন প্রস্তুতকারকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী; দাম ও স্টক পরিবর্তন হতে পারে। সর্বশেষ আপডেট: 31 Aug 2026।

Walton Washing Machine বাংলাদেশে সবচেয়ে পরিচিত ওয়াশিং মেশিনের একটি — দাম নাগালের মধ্যে, আর সার্ভিস সেন্টার প্রায় সব জেলাতেই। LM Electronics-এ এখন 4টি Walton ওয়াশিং মেশিন স্টকে, দাম শুরু ৳25,350 থেকে ৳62,322 পর্যন্ত। নিচের টেবিলে প্রতিটি মডেলের ধারণক্ষমতা, ধরন, স্পিন স্পিড ও দাম পাশাপাশি দেওয়া আছে — এক নজরে মিলিয়ে নিন কোনটা আপনার জন্য।

টপ লোড না ফ্রন্ট লোড — কোনটা আপনার জন্য

ফুলি অটোমেটিক টপ লোড — উপর দিয়ে কাপড় দেওয়া যায়, ঝুঁকতে হয় না, দাম কম আর সাইকেলও দ্রুত শেষ হয়। বাংলাদেশে রোজকার পারিবারিক ব্যবহারে এটাই সবচেয়ে বেশি চলে। আমাদের WWM-ATV70 ও WWM-ATV80 এই ধরনের।

ফ্রন্ট লোড — পানি ও বিদ্যুৎ কম খরচ করে, কাপড়ের যত্ন ভালো নেয়, আর স্পিন স্পিড ১৪০০ RPM হওয়ায় কাপড় অনেকটা শুকনো অবস্থায় বের হয় (টপ লোডে সাধারণত ৭৪০ RPM)। দাম বেশি এবং প্রতি সাইকেলে সময়ও বেশি লাগে। আমাদের WWM-AFE80H ও WWM-AFC90W এই ধরনের — এর মধ্যে AFC90W-তে ওয়াশার ও ড্রায়ার দুটোই আছে, অর্থাৎ ধোয়ার পর মেশিনেই শুকিয়ে নেওয়া যায়।

বাজেট কম হলে: সেমি-অটোমেটিক মেশিন সবচেয়ে সস্তা হয়, তবে পানি নিজে দিতে হয় এবং কাপড় হাতে সরাতে হয়। এই মুহূর্তে আমাদের স্টকে সেমি-অটোমেটিক Walton মডেল নেই — সব কটিই ফুলি অটোমেটিক।

কত কেজির মেশিন লাগবে

পরিবারের সদস্য অনুযায়ী মোটামুটি এই হিসাব — ২–৩ জন: ৬–৭ কেজি, ৪–৫ জন: ৭–৮ কেজি, ৬ জন বা বেশি: ৯ কেজি বা তার উপরে।

কম্বল, পর্দা বা বিছানার চাদর নিয়মিত ধোয়ার অভ্যাস থাকলে এক ধাপ বড় নিন — ড্রামে জায়গা কম হলে কাপড় ঠিকমতো ঘোরে না, পরিষ্কারও কম হয় আর মোটরের উপর চাপ পড়ে।

ধারণক্ষমতা মানে শুকনো কাপড়ের ওজন, ভেজা নয়। ৮ কেজির মেশিনে একবারে মোটামুটি একটি ডাবল বিছানার চাদর ও কয়েক সেট জামাকাপড় ধোয়া যায়।

ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস — কী দেখে নেবেন

ওয়াশিং মেশিনে সবচেয়ে দামি অংশ মোটর, তাই মোটরের আলাদা ওয়ারেন্টি কত বছরের সেটা দেখে নিন। ওয়ালটনের অনেক মডেলে মোটরে দীর্ঘ ওয়ারেন্টি থাকে, আর PCB, ক্লাচ ও স্পেয়ার পার্টসের মেয়াদ আলাদা করে লেখা থাকে।

প্রতিটি পণ্যের পাতায় ওই মডেলের নিজস্ব ওয়ারেন্টি লেখা আছে। সার্ভিস ওয়ালটনের নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার থেকেই পাওয়া যায় — দোকানের গ্যারান্টি নয়।

বিদ্যুৎ ও পানির খরচ কেমন হবে

ফ্রন্ট লোড মেশিন সাধারণত টপ লোডের চেয়ে কম পানি টানে, কারণ ড্রাম শুয়ে থাকে এবং কাপড় ঘুরে ঘুরে ভেজে — পুরো ড্রাম ভরে পানি নিতে হয় না। ইনভার্টার মোটরের মডেলে বিদ্যুৎ খরচ আরও কম, কারণ মোটর প্রয়োজন অনুযায়ী গতি কমায়-বাড়ায়।

টপ লোডে পানি বেশি লাগলেও দাম কম এবং সাইকেল দ্রুত শেষ হয়। দিনে একবার চালালে দুটোর বিলের পার্থক্য খুব বড় হয় না; দিনে একাধিকবার চালালে ফ্রন্ট লোড ধীরে ধীরে দামের পার্থক্য পুষিয়ে দেয়।

ইনভার্টার মোটর — দাম বেশি কেন, আর কার জন্য

ওয়াশিং মেশিনের দামের সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা আসে মোটর থেকে। সাধারণ (ইউনিভার্সাল) মোটর চালু-বন্ধ হয় একটাই গতিতে; ইনভার্টার মোটর কাপড়ের পরিমাণ বুঝে গতি কমায়-বাড়ায়।

  • বিদ্যুৎ — কম কাপড়ে ইনভার্টার কম শক্তি টানে, তাই রোজ চালালে বিলের পার্থক্য বোঝা যায়। মাসে দু-তিনবার চালালে পার্থক্যটা সামান্য।
  • শব্দ ও কাঁপুনি — ইনভার্টার মোটরে বেল্ট থাকে না, তাই স্পিনের সময় শব্দ স্পষ্টতই কম।
  • আয়ু — ঘষা খাওয়ার মতো অংশ কম বলে সাধারণত বেশিদিন টেকে, আর ব্র্যান্ডগুলো মোটরে লম্বা ওয়ারেন্টি দেয়।

সহজ সিদ্ধান্ত: সপ্তাহে চার দিনের বেশি চালালে ইনভার্টার নেওয়ার যুক্তি আছে; তার কম হলে বাড়তি টাকাটা ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পেছনে দিলে বেশি কাজে লাগবে।

স্পিন স্পিড — RPM সংখ্যাটা আসলে কী বদলায়

স্পিন স্পিড ঠিক করে ধোয়ার শেষে কাপড় কতটা শুকনো অবস্থায় বেরোবে। এটাই সবচেয়ে কম বোঝা অথচ সবচেয়ে কাজের স্পেসিফিকেশন।

  • ৭০০–৮০০ RPM — কাপড় ভেজা-স্যাঁতসেঁতে বেরোয়, রোদে শুকাতে সময় লাগে। টপ লোড মেশিনে সাধারণত এই মাত্রা।
  • ১২০০–১৪০০ RPM — কাপড় প্রায় নিংড়ানো অবস্থায় বেরোয়। বর্ষাকালে বা ফ্ল্যাটে, যেখানে রোদ কম, এটা বড় সুবিধা।

তবে সব কাপড়ে সর্বোচ্চ স্পিন দেবেন না — সিল্ক, উলের পোশাক বা ঢিলেঢালা বুননের জামা বেশি RPM-এ টেনে লম্বা হয়ে যায়। বেশিরভাগ মেশিনেই স্পিন আলাদা করে কমানো যায়।

মনে রাখবেন, বেশি RPM মানে ড্রায়ার নয়। কাপড় শুকনো হয়ে বেরোবে না, শুধু কম ভেজা বেরোবে — শুকাতে হবে বাইরেই।

বসানোর আগে যে তিনটি ভুল সবচেয়ে বেশি হয়

নতুন মেশিনে যত সমস্যার অভিযোগ আসে, তার একটা বড় অংশ আসলে যন্ত্রের দোষ নয় — বসানোর ভুল।

  • ট্রান্সপোর্ট বোল্ট না খোলা — ফ্রন্ট লোড মেশিনের পেছনে ৩–৪টি বোল্ট লাগানো থাকে যা পরিবহনের সময় ড্রামকে আটকে রাখে। এগুলো না খুলে চালালে মেশিন প্রচণ্ড কাঁপে, শব্দ করে, এবং ড্রামের সাসপেনশন নষ্ট হতে পারে — যা ওয়ারেন্টিতেও পড়ে না। বাক্সের সাথে দেওয়া রেঞ্চ দিয়ে খুলে ছিদ্রগুলো ক্যাপ দিয়ে বন্ধ করে দিন।
  • মেঝে সমান না করা — চার পায়ের একটাও উঁচু-নিচু থাকলে স্পিনের সময় মেশিন হাঁটে। পা ঘুরিয়ে সমান করুন; হাত দিয়ে চাপ দিলে যেন এক কোণও না দোলে।
  • ড্রেন পাইপ বেশি নিচে বা বেশি উঁচুতে — পাইপের মুখ মেঝে থেকে খুব নিচে থাকলে পানি নিজে নিজেই বেরিয়ে যেতে থাকে, আবার বেশি উঁচুতে থাকলে পাম্প পানি ঠেলতে পারে না। মেশিনের ম্যানুয়ালে উচ্চতার সীমা দেওয়া থাকে, সেটা মেনে চলুন।

ডিটারজেন্ট — কতটা দেবেন, আর কোনটা

অটোমেটিক মেশিনে ডিটারজেন্ট বেশি দিলে কাপড় বেশি পরিষ্কার হয় না — উল্টো সমস্যা তৈরি হয়।

  • ফ্রন্ট লোডে কম ফেনার (HE / front load) ডিটারজেন্ট ব্যবহার করুন। সাধারণ হাতে ধোয়ার গুঁড়ো সাবান প্রচুর ফেনা তোলে, যা সেন্সরকে বিভ্রান্ত করে আর ড্রামে জমে গন্ধ তৈরি করে।
  • মাপ মেনে দিন — প্যাকেটের নির্দেশিত পরিমাণই যথেষ্ট। বেশি দিলে ধোয়ার পর কাপড়ে সাদা দাগ বা আঠালো ভাব থেকে যায়।
  • পানি খুব কড়া হলে অল্প বেশি লাগতে পারে, কিন্তু দ্বিগুণ কখনোই নয়।

মাসে একবার কাপড় ছাড়া গরম পানির একটা চক্র চালালে ড্রামে জমে থাকা সাবান ও ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায় — এতে দুর্গন্ধের সমস্যা অনেকটাই এড়ানো যায়।

Walton Washing Machine in Bangladesh: What to Check Before Buying

Four things decide whether a washing machine suits your household, and only one of them is the price.

  • Capacity — count people, not clothes. Roughly 1 kg per person per wash, plus headroom for bedsheets and blankets. A family of four is comfortable at 7–8 kg; 9 kg makes sense when heavy bedding goes in often.
  • Loading type — top load is cheaper, faster and easier on the back; front load washes more gently, uses less water and spins far drier.
  • Motor — an inverter motor is quieter and cheaper to run, and it earns its price difference only if the machine runs several times a week.
  • Service — check the warranty split: the motor, the main parts and the spare parts often carry different periods, and home service is not always included beyond the first year.

Every model listed here is an official product with manufacturer warranty, delivered nationwide. Current prices and stock are shown live in the table above.

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন — Walton Washing Machine

Walton Washing Machine-এর দাম কত থেকে শুরু?
LM Electronics-এ Walton ওয়াশিং মেশিনের দাম শুরু ৳25,350 থেকে, আর সবচেয়ে বেশি ৳62,322 পর্যন্ত। এখন 4টি মডেল স্টকে আছে — দাম ও স্টক এই পাতাতেই সরাসরি দেখা যাচ্ছে।
টপ লোড না ফ্রন্ট লোড — কোনটা ভালো?
রোজকার ব্যবহারে দাম ও সুবিধার দিক থেকে টপ লোড এগিয়ে, আর পানি-বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং কাপড়ের যত্নে ফ্রন্ট লোড। ফ্রন্ট লোডের স্পিন ১৪০০ RPM, টপ লোডে ৭৪০ RPM — তাই ফ্রন্ট লোডে কাপড় বেশি শুকনো বের হয়।
৪ জনের পরিবারের জন্য কত কেজি?
৪–৫ জনের পরিবারে সাধারণত ৭–৮ কেজির মেশিন যথেষ্ট। কম্বল বা পর্দা নিয়মিত ধুলে ৯ কেজি বা তার বেশি নেওয়া ভালো।
Walton ওয়াশিং মেশিনে ওয়ারেন্টি কত বছরের?
মডেলভেদে আলাদা — মোটরে দীর্ঘ মেয়াদ, আর PCB, ক্লাচ ও স্পেয়ার পার্টসে আলাদা মেয়াদ থাকে। যেমন WWM-ATV80-তে মোটরে ১০ বছর, PCB ও ক্লাচে ২ বছর, স্পেয়ার পার্টসে ১ বছর এবং আফটার-সেলস সার্ভিস ২ বছর। প্রতিটি পণ্যের পাতায় ওই মডেলের নিজস্ব ওয়ারেন্টি লেখা আছে।
ওয়ারেন্টি কি অফিসিয়াল?
হ্যাঁ। LM Electronics ওয়ালটনের অনুমোদিত রিটেইল ডিস্ট্রিবিউটর, তাই প্রতিটি মেশিনে ওয়ালটনের নিজস্ব অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি থাকে এবং সার্ভিস ওয়ালটনের সার্ভিস সেন্টার থেকেই পাওয়া যায়।
মেশিন চালু হয় কিন্তু পানি ঢুকছে না — কী দেখব?
চারটা জিনিস পরপর দেখুন। প্রথমে ইনলেট ট্যাপ খোলা আছে কিনা — অনেকে ধোয়ার পর বন্ধ করে রাখেন, পরে খুলতে ভুলে যান। দ্বিতীয়ত, সরবরাহে পানির চাপ আছে কিনা; ট্যাংক খালি থাকলে বা চাপ খুব কম হলে মেশিন পানি টানতে পারে না। তৃতীয়ত, ইনলেট পাইপের মুখে একটা ছোট জালি ফিল্টার থাকে যেখানে বালি-ময়লা জমে — পাইপ খুলে জালিটা পরিষ্কার করুন, এটাই সবচেয়ে সাধারণ কারণ। শেষে দরজা বা ঢাকনা ঠিকমতো লেগেছে কিনা দেখুন, কারণ লক না হলে পানি ঢোকার ধাপই শুরু হয় না।
ধোয়া শেষ কিন্তু ড্রামে পানি জমে আছে, বের হচ্ছে না
প্রায় সবসময়ই ড্রেনের পথ আটকে থাকে। ড্রেন ফিল্টার (সাধারণত ফ্রন্ট লোডের সামনে নিচের দিকে ছোট ঢাকনার পেছনে) খুলে পরিষ্কার করুন — সেখানে চুল, কয়েন, বোতাম, কাগজ জমে থাকে। খোলার আগে নিচে গামলা রাখুন, পানি বেরোবে। এরপর ড্রেন পাইপে ভাঁজ বা মোচড় আছে কিনা দেখুন, আর পাইপের মুখ খুব উঁচুতে তোলা কিনা মিলিয়ে নিন। এতেও না হলে ড্রেন পাম্প আটকে থাকতে পারে, তখন সার্ভিসে দেখানো দরকার।
ধোয়ার পর কাপড় প্রায় ভেজাই থেকে যাচ্ছে
সাধারণত স্পিন ধাপটাই ঠিকমতো হয়নি। প্রথমে দেখুন কাপড় একদিকে দলা পাকিয়ে গেছে কিনা — ভারী একটা চাদর বা কম্বল একদিকে জড়ো হলে মেশিন ভারসাম্য না পেয়ে স্পিন কমিয়ে দেয় বা বাদ দেয়। কাপড় ছড়িয়ে দিয়ে শুধু স্পিন চক্র চালান। দ্বিতীয়ত, প্রোগ্রামটা দেখুন — জেন্টল, উল বা ডেলিকেট প্রোগ্রামে স্পিন ইচ্ছে করেই কম থাকে। তৃতীয়ত, আগের প্রশ্নের ড্রেন সমস্যা থাকলেও স্পিন হয় না, কারণ পানি না বেরোলে মেশিন স্পিনে যায় না।
স্পিনের সময় মেশিন প্রচণ্ড কাঁপে আর জায়গা থেকে সরে যায়
নতুন মেশিন হলে সবার আগে ট্রান্সপোর্ট বোল্ট দেখুন — ফ্রন্ট লোডের পেছনে ৩–৪টি বোল্ট পরিবহনের জন্য ড্রাম আটকে রাখে, আর সেগুলো না খুলে চালালে মেশিন লাফায়। পুরনো মেশিন হলে চার পা সমান করুন; হাত দিয়ে কোনায় চাপ দিলে যেন না দোলে। এর সাথে কাপড় একদিকে জমে যাওয়া আর মেঝে অসমান হওয়াও কারণ হতে পারে। রাবারের ম্যাট পেতে দিলে কাঁপুনি ও শব্দ দুটোই কমে।
ফ্রন্ট লোডের দরজা খুলছে না, কাপড় ভেতরে আটকে আছে
ফ্রন্ট লোড মেশিনে নিরাপত্তার জন্য দরজা লক হয়ে যায় এবং ড্রামে পানি থাকলে বা ড্রাম ঘুরতে থাকলে খোলে না। প্রথমে চক্র শেষ হতে দিন — শেষ হওয়ার পর লক খুলতে এক-দুই মিনিট সময় নেয়। তাড়াহুড়ো থাকলে মেশিন বন্ধ করে ড্রেন/স্পিন চক্র চালিয়ে পানি বের করে নিন। বিদ্যুৎ চলে গেলে অনেক মডেলে নিচের ফিল্টারের ঢাকনার পেছনে একটা ছোট ইমার্জেন্সি টান-দড়ি থাকে, সেটা টানলে দরজা খোলে। জোর করে টানবেন না, লক ভেঙে যাবে।
মেশিন বা কাপড় থেকে স্যাঁতসেঁতে দুর্গন্ধ আসছে
এটা ফ্রন্ট লোডে বেশি হয়, কারণ দরজার রাবার গ্যাসকেটের ভাঁজে পানি ও সাবান জমে ছত্রাক পড়ে। প্রতিবার ধোয়ার পর গ্যাসকেটের ভাঁজ শুকনো কাপড়ে মুছে দরজা খানিকক্ষণ খোলা রাখুন। ডিটারজেন্টের ড্রয়ারটাও খুলে ধুয়ে নিন মাসে একবার। আর কাপড় ছাড়া সবচেয়ে গরম পানির একটা চক্র চালান — চাইলে সাথে সাদা ভিনেগার দিতে পারেন। অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট দেওয়াও এই গন্ধের বড় কারণ, তাই মাপ মেনে দিন।
ধোয়ার পর কাপড়ে সাদা দাগ বা গুঁড়ো লেগে থাকে
প্রায় সবসময়ই ডিটারজেন্ট বেশি পড়েছে, অথবা ঠান্ডা পানিতে গুঁড়ো সাবান পুরোপুরি গলেনি। পরিমাণ কমিয়ে দিন, আর গুঁড়ো সাবান হলে অল্প পানিতে গুলে নিয়ে দিন। একবারে বেশি কাপড় ভরলেও ধোয়ার পানি ঠিকমতো ঘুরতে পারে না — ড্রামের তিন-চতুর্থাংশের বেশি ভরবেন না। ফ্রন্ট লোডে সাধারণ গুঁড়ো সাবানের বদলে কম-ফেনার ডিটারজেন্ট ব্যবহার করলে এই সমস্যা অনেক কমে যায়।
ডিসপ্লেতে E দিয়ে শুরু একটা কোড দেখাচ্ছে — কী করব?
কোডের অর্থ মডেলভেদে আলাদা, তাই সঠিক অর্থটা মেশিনের ম্যানুয়ালে মিলিয়ে নেওয়াই নিরাপদ। তবে বাস্তবে সবচেয়ে বেশি যে দুটো আসে সেগুলো হলো পানি ঢুকছে না এবং পানি বের হচ্ছে না — দুটোরই সমাধান উপরে দেওয়া আছে (ট্যাপ ও ইনলেট ফিল্টার, অথবা ড্রেন ফিল্টার ও পাইপ)। এছাড়া দরজা ঠিকমতো লাগেনি — এমন কোডও সাধারণ। মেশিন বন্ধ করে প্লাগ খুলে ২–৩ মিনিট পর আবার চালু করলে অনেক সময় কোড নিজেই চলে যায়। বারবার একই কোড এলে ওয়ারেন্টি থাকা অবস্থায় সার্ভিস সেন্টারে জানান।
৬ কেজি বা তার ছোট মেশিন আছে?
এই মুহূর্তে আমাদের Walton রেঞ্জে সবচেয়ে ছোটটি ৭ কেজি, তারপর ৮ কেজি (টপ ও ফ্রন্ট দুই ধরনেই) এবং ৯ কেজি। বাস্তবে ৬ কেজির খোঁজ যাঁরা করেন তাঁদের বেশিরভাগের জন্য ৭ কেজিই মানানসই — দাম কাছাকাছি, কিন্তু চাদর বা ভারী কাপড় ধোয়ার সময় বাড়তি জায়গাটা কাজে লাগে। উপরের টেবিলে প্রতিটি মডেলের ধারণক্ষমতা ও চলতি দাম দেখে নিতে পারবেন।
একটা চক্রে কত সময় লাগে আর বিদ্যুৎ বিল কেমন বাড়বে?
সাধারণ কটন প্রোগ্রামে টপ লোডে প্রায় ৪০–৫০ মিনিট, ফ্রন্ট লোডে ১ ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টা — ফ্রন্ট লোড ধীরে ধোয় বলেই কাপড়ের ওপর চাপ কম পড়ে। বিদ্যুতের হিসাবটা বেশিরভাগ মানুষ যা ভাবেন তার চেয়ে কম: বেশির ভাগ খরচ হয় পানি গরম করতে, তাই ঠান্ডা বা উষ্ণ পানির প্রোগ্রামে চালালে খরচ অনেকটাই কমে যায়। সপ্তাহে তিন-চারবার ঠান্ডা পানিতে চালালে মাসে সাধারণত ১০ ইউনিটের কম বিদ্যুৎ লাগে। ইনভার্টার মোটরের মডেলে এটি আরও কম।
ডেলিভারি কোথায় কোথায় পাওয়া যায়?
সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি দেওয়া হয়। আরও মডেল দেখতে ওয়াশিং মেশিন ক্যাটাগরি বা Walton ব্র্যান্ড পাতাটি দেখুন।